কমরেড মণি সিংহ – বাংলা

কমরেড মণি সিংহ – বাংলা

১৯০১ – ১৯৯০

কমরেড মণি সিংহ

টংক আন্দোলনের নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। জমিদার পরিবারে জন্ম নিয়েও সারা জীবন লড়েছেন শোষিত কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির জন্য।

জীবনী পড়ুনজীবনপঞ্জি

মণি সিংহ সম্পর্কে

কমরেড মণি সিংহ ১৯০১ সালের ২৮ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং বেড়ে ওঠেন তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার (বর্তমান নেত্রকোনা) সুসং দুর্গাপুরে। স্কুলজীবনেই ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী সংগঠন অনুশীলন সমিতিতে যোগ দেন, পরে মার্ক্সবাদে দীক্ষা নিয়ে শ্রমিক ও কৃষক আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেন।

হাজং ও গারো কৃষকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া টংক প্রথার বিরুদ্ধে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন বাংলার কৃষক সংগ্রামের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। পাকিস্তান আমলে দীর্ঘ আত্মগোপন ও কারাবাসের পর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন; স্বাধীন বাংলাদেশে কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি হিসেবে আমৃত্যু গণমানুষের পক্ষে লড়ে গেছেন।

জন্ম
২৮ জুলাই ১৯০১, কলকাতা
আদি নিবাস
সুসং দুর্গাপুর, নেত্রকোনা
মৃত্যু
৩১ ডিসেম্বর ১৯৯০
পরিচিতি
টংক আন্দোলন, কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধ
দলীয় পদ
সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (১৯৭৩–১৯৯০)
জীবনসঙ্গী
কমরেড অনিমা সিংহ
সম্মাননা
স্বাধীনতা পদক ২০০৪ (মরণোত্তর)
আত্মজীবনী
জীবন সংগ্রাম

জীবনের পর্বসমূহ

১৯০১–১৯২৭

শৈশব ও বিপ্লবী দীক্ষা

কলকাতায় জন্ম, সুসং দুর্গাপুরে বেড়ে ওঠা। ১৯১৪ সালে অনুশীলন সমিতিতে যোগ; রুশ বিপ্লবের প্রভাবে মার্ক্সবাদের পথে।

১৯২৮–১৯৪৬

শ্রমিক ও কৃষক আন্দোলন

১৯২৮ সালে কেশোরাম কটন মিলে ১৩ দিনের ধর্মঘট। কারাবাস ও অন্তরীণের পর ১৯৩৭ সাল থেকে টংক আন্দোলনের নেতৃত্ব।

১৯৪৭–১৯৭১

আত্মগোপন ও মুক্তিযুদ্ধ

পাকিস্তান আমলে দীর্ঘ আত্মগোপন ও কারাবাস। ১৯৭১ সালের ৭ এপ্রিল রাজশাহী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ।

১৯৭২–১৯৯০

স্বাধীন বাংলাদেশে

১৯৭৩ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি নির্বাচিত। ১৯৯০ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াণ; ২০০৪ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক।

পূর্ণ জীবনপঞ্জি দেখুন →

আরও পড়ুন ও দেখুন

২৮ জুলাইজন্মবার্ষিকী
৩১ ডিসেম্বরমৃত্যুবার্ষিকী ও মণি মেলার সূচনা, সুসং দুর্গাপুর
২০০৪মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক